কীভাবে হবে মাবরুর হজ : আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হজে মাবরূরের জন্য বিশাল পুরস্কার রেখেছেন। রাসূল সা. বলেছেন হজে মাবরূর এর পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছু নয়। হজ কারীর তার হজ মাবরূর বা গ্রহণযোগ্য হওয়ার নিমিত্তে যা করবে তা হল : ১-ইখলাছ ২- সুন্নাতের অনুসরণ ৩- হজের জন্য সুন্দর প্রস্ততি ,....
কীভাবে হবে মাবরুর হজ - (বাংলা)
কোরবানি : তাৎপর্য ও আহকাম - (বাংলা)
কোরবানি : ফাজায়েল ও আহকাম , এ প্রবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে কোরবানির দিনের ফজিলত, কোরবানি করার ফজিলত, কোরবানির অর্থ ও প্রচলন, কোরবানির বিধান, শর্তাবলী, মাছায়েল, সময় এবং কোরবানির পশু জবেহ করার নিয়ম পদ্ধতি। সাথে আইয়ামুত তাশরীকের ফজিলত ও তার করণীয় সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে।
প্রশ্নোত্তরে হজ ও উমরা - (বাংলা)
এ বইয়ে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে হজ ও উমরার বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড - (বাংলা)
এ বইয়ে হজ, উমরা ও যিয়ারতের উপর সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
মুসলিম ভাইদের প্রতি হজ পরবর্তী দাওয়াত - (বাংলা)
হজ ইসলামের পঞ্চম রোকন। হজ পূর্ববর্তী সকল গুণাহের কাফফারা স্বরূপ। তবে হজের পর নামাজ রোজা ইত্যাদি ইবাদতে পূর্বের তুলনায় আরো নিয়মিত হতে হবে। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে বিষয়টি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হয়েছে।
আল্লাহর পথের অভিযাত্রী - (বাংলা)
একজন হজযাত্রীর জন্য তার হজের সফরে, হজের আনুষ্ঠানিকতা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে কী কী করা উচিত? তার কতিপয় দিক-নির্দেশনা রয়েছে আলোচ্য এ প্রবন্ধে। সাথে সাথে হজের সফরের সাথে আখেরাতের সফরের তুলনামূলক আলোচনা রয়েছে।
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণ :হজ বিষয়ে একটি অসাধারণ গ্রন্থ। হজের গতানুগতিক বর্ণনা নয় বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণের বহু অজানা দিক দৃষ্টির আওতায় এসেছে প্রখ্যাত লেখক ফায়সাল আল বাদানীর এই অনবদ্য রচনার মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় রচনাটি ভাষান্তরিত করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত।
একজন হাজী তার সন্তানদেরকে কীভাবে উপদেশ দেবে তারই কিছু নমুনা ও পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে বর্তমান প্রবন্ধে। হাজীগণ যদি সন্তানদেরকে উপদেশ দেওয়ার সময় এ ধরনের শব্দমালা ব্যবহার করতে পারে তবে তা অভূতপূর্ব উপকার বয়ে আনবে বলে আশা করা যায়।
ফাতওয়াটি নারীদের পক্ষে মাহরাম ছাড়া শুধু মেয়েদের সাথে হজ করার বিধান প্রসঙ্গে। প্রশ্নটি হলো: আমি সৌদি আরবে বসবাস করি। সেখানেই আমার কর্মস্থল। গত বছর আমি আমার দুই বান্ধবীর সাথে হজ পালন করতে যাই, আমাদের সাথে কোনো মাহরাম ছিল না। এ বিষয়ে শরী‘আতের বিধান সম্পর্কে জানতে চাই।
হজের মাসে ওমরা আদায় প্রসঙ্গ - (বাংলা)
ফাতওয়াটি হজের মাসসমূহে হজ আদায় না করে শুধু ওমরা আদায় করা বৈধ কি-না সে প্রসঙ্গে। প্রশ্নটি হলো : কোনো ব্যক্তি হজের প্রায় অর্ধমাস পূর্বে মক্কা মুকাররমায় প্রবেশ করে ওমরা আদায় করল। এর পর হজ না করেই নিজ দেশে ফিরে আসল। তার জন্য এ কাজটি কতটুকু বৈধ হল ?
ফতোয়াটি একটি প্রশ্নের উত্তর। প্রশ্নটি হল: হজ শেষ করে তানয়ীম থেকে ইহরাম বেঁধে এসে উমরা আদায় করা কি সুন্নত?
ফতোয়াটি একটি প্রশ্নের উত্তর। প্রশ্নটি হল: জিদ্দাবাসীদের জন্য বিদায়ী তওয়াফ না করেই চলে যাওয়া এবং ভীড় কমার পর দ্বিতীয়বার ফিরে এসে বিদায়ী তওয়াফ সম্পন্ন করা কি উচিত হবে?

API



