এ লেকচারটিতে সালাত আদায় করার পূর্বশর্ত তথা অযু করা পদ্ধতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। যেমন, ১। মনে মনে সংকল্প করে অযু শুরু করতে হবে। ২। বিসমিল্লাহ বলে অযু শুরু করবে। ৩। দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধৌত করতে হবে। ৪। মুখে ও নাকে ৩ বার পানি দিয়ে কুলি বা....
পবিত্রতা অর্জন করা - (বাংলা)
এ লেকচারটিতে গোসল ও তায়াম্মুম করার পদ্ধতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত মোতাবেক গোসল করা। গোসল করার পদ্ধতি: ১। মনে মনে সঙ্কল্প করে বিসমিল্লাহ বলবে। ২। অযু করবে তবে পা ধৌত করার কাজ গোসলের কাজ শেষ করার পর করবে। ৩। মাথার উপর ৩ বার পানি দিবে।....
তাওহীদ কী ও তাওহীদের গুরুত্ব - (বাংলা)
1- তাওহীদ হলো মহান আল্লাহ তা‘আলাকে এক বলে জানা, তাঁর কোনো শরীক নেই, একমাত্র তিনিই ইবাদতের উপযুক্ত –এ কথা বিশ্বাস করা ও মেনে নেওয়া। এ দুনিয়ার একমাত্র মালিক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা, সব কিছুর মালিক ও পরিচালক একমাত্র তিনিই। তিনিই জীবনদাতা ও মরণদাতা বলে বিশ্বাস করা, আল্লাহকে ছাড়া অন্য কারো অতিপ্রশংসা....
সালাতের গুরুত্ব - (বাংলা)
এ লেকচারটিতে সালাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে বিশদ আলোকপাত করা হয়েছে। সালাত হলো সকল খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রধান মাধ্যম। আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে এ সালাত মুসলিমদের জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে প্রেরণ করেছেন। সালাত মুসলিমদের জীবনে অন্যতম একটি অংশ। আল্লাহ তা‘আলা সূরা আল-বাকারাতে বলেছেন “তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা....
শির্ক থেকে বাচুন - (বাংলা)
এ অডিওটিতে আলোচনা করা হয়েছে:- শির্ক হলো সবচেয়ে বড় গুন্নাহ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা সবকিছুর গুনাহ মাফ করে দিবেন কিন্তু শির্কের গুনাহ মাফ করবেন না। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো খালেস তাওবা করা। এ জন্য মুসলিম হিসেবে শির্ক কী এটি ভালো করে জানতে হবে। আমাদের সমাজে অনেক শির্কী কর্মকাণ্ড রয়েছে, যার....
উক্ত অডিওটিতে আলোচনা করা হয়েছে:- ১। সালাতে ডানে বামে তাকানো নিষেধ। ২। সালাতে রঙিন জায়নামাজ না নিয়ে আসা ও লাল নীল রঙিন কাপড় পরিধান না করা। ৩। ইচ্ছা করে সালাতের মধ্যে কথা বললে সালাত নষ্ট হয়ে যাবে। ৪। ইচ্ছা করে কিবলা দিক বাদ দিয়ে ডানে ও বামে তাকালে সালাত নষ্ট....
তাওবা ও তার গুরুত্ব - (বাংলা)
পরিভাষায় তাওবা হলো অন্যায় কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া। তাওবা সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে অসংখ্য আয়াত রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করো। কেননা আমি আল্লাহর নিকিট প্রতিদিন একশত বার তাওবা করি। উক্ত আলোচনায় আলোচক হাদীসের আল্লাহ কীভাবে মানুষকে মাফ করে দেন ও....
আল্লাহ তা‘আলার দিকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল আগমন করেছেন। তারা আল্লাহ তা‘আলার দিকে দাওয়াত দিয়েছেন। বর্তমানে আলেম সমাজ এ দাওয়াতের কাজটি করবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাদের কাছে যদি আমার একটি হাদীস পৌঁছে থাকে তাহলে তোমরা তা প্রচার করো। সুতরাং মানুষকে সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ....
পিতা-মাতার খিদমত - (বাংলা)
আল্লাহ তা‘আলার ইবাদতের পরে পিতা-মাতার খিদমত করার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে অসংখ্য আয়াত উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁর সাথে কাউকে শরীক কর না এবং তোমাদের পিতা-মাতার সাথে সৎ ব্যবহার কর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্র কাছে সবচেয়ে প্রিয় বিষয়গুলো হলো ১। সময় মত সালাত....
রমযানের বিধি-বিধান - (বাংলা)
আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতা‘আলা রমযানকে আমাদের ওপর কেন ফরয করেছেন, পূর্ববর্তী উম্মতের ওপর কীভাবে রমযান ফরয ছিল, রমযান মাস আগমনের পেক্ষাপট কী, সাওমের আভিধানিক অর্থ কী, সাওম কোন কোন ব্যক্তির ওপর ফরয আর কোন কোন ব্যক্তির ওপর ফরয নয়, যারা সাওম রাখতে অক্ষম, তারা কীভাবে কাফফারা আদায় করবেন, ইসলামী শরী‘আতে শিশু....
রমযান মাসের বৈশিষ্ট্য - (বাংলা)
রমযান মাসের বৈশিষ্ট্য অনেক। কেননা, এ মাসে আল্লাহ তা‘আলা আল-কুরআন নাযিল করেছেন। এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যাকে লায়লাতুল কদর বলা হয়, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এ রমযান মাসে জান্নাহামের সকল দরজা বন্ধ করে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং অবাধ্য শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়। তাই মুসলিম জাতির....
সাওমের ফযীলত - (বাংলা)
সাওমের ফযীলতের ওপর অনেক হাদিস রয়েছে। আদম সন্তানের ভালো কাজের ফল স্বরূপ ৭০ গুণ বেশি পাবেন এ রামযানে। সাওম পালনকারীর দো‘আ আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতা‘আলা কুবুল করেন।সাওম পালনকারী ও কুরআন তেলাওয়াতকারীর জন্য সাওম ও কুরআন মাজীদ কিয়ামতের মাঠে সুপারিশ করবে এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা তা কবুল করবেন। রাইআন নামক জান্নাতের দরজা....

API
